পঞ্চগড় প্রতিনিধি- বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি একে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় দিয়েছেন সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন মুজুরী বোর্ডের বিরুদ্ধে কোন আপিল বা পিটিশন দায়েরের কোনো এখতিয়ার নাই। অথচ আমরা অধিকার সর্ম্পকে চুপচাপ বসে আছি।
সোমবার (১৯অক্টোবর ) পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত ও পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পঞ্চগড় জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহনে আয়োজিত গনমাধ্যমে অপপ্রচার অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং ব¯ুÍ সাংবাদ পরিবেশন ,সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে এই রায় ডিসিশন হয়ে গেছে। আমরা আমাদের অধিকার সম্পর্কে চুপচাপ আছি। আমরা এখনো নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি।
বিচারপতি এম এম আব্দুল হাকিম বলেন অর্ন্তবতীকালিন সংবাদপত্র মুজুরী নির্ধারন করে দিয়েছে এবং নি¤œতম মুজুরী মালিকদের অবশ্যই পালন করতে হবে। নি¤œতম মুজুরী হারে নীচে মুজুরী প্রদান নিষিদ্ধ। ১৯৯১ সালে চতুর্থ মুজুরী বোর্ড হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সুপ্রীম কোর্ট হাইকোর্টে বিভাগে মালিক সংগঠন একটি রিট ফাইল হয়। নবম মুজুরী বোর্ডের বিরুদ্ধেও মালিক সংগঠন ও একটি রিট হয়।
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি এম এম আব্দুল হাকিম বলেন, আবারও দশম মুজুরী বোর্ডে আসছে। আমরা প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের অধিকার, আইন সর্ম্পকে কাজ করছি। ইতোমধ্যে সাংবাদিকদের নিয়ে ১৯ টি জিনিস জমা দিয়েছি, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর। সব কিছু হচ্ছে সাংবাদিকদের স্বার্থ।তিনি সাংবাদিকদের বিষয়ে বলেন মালিক সংগঠন বেতন দেয়না। বেতন দেয় মালিকরা। এটা সরকারের ব্যাপার নয়। তিনি আরও বলেন,আর একটা আইন আছে, সাইবার সুরক্ষার আইন পঞ্চমবারের মত নাম পরিবর্তন হচ্ছে। এগুলোর ব্যাপারে আমরা খুব ভালো। কখনো এটা কখনো এটা।
তিনি আরও বলেন প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার জন্য নিয়ে যা যা বলেছি। এ বিষয়ে সম্পাদক পরিষদ ঠিক তাই তাই সরকারকে অবগত করেছেন এবং তারা বলেছেন প্রেস কাউন্সিল যা বলেছে তা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।















