ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে আম আদমি পার্টি (এএপি) ও কয়েকটি ছাত্র সংগঠন শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণার পর দিল্লি মেট্রোর ১১টি স্টেশনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব স্টেশনের মধ্যে রয়েছে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও জন্তর মন্তর।
দ্য প্রিন্ট জানায়, দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক, সেবা তীর্থ, মণ্ডি হাউস, লোক কল্যাণ মার্গ, আইএনএ, চাওরি বাজার, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ ও নয়াদিল্লি স্টেশনের গেট বন্ধ থাকবে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডিএমআরসি এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে রাজীব চক, মণ্ডি হাউস, নয়াদিল্লি ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে মেট্রো পরিবর্তনের সুবিধা চালু থাকবে।বিক্ষোভের ডাক দেওয়া সংগঠনগুলোর অভিযোগ, নির্বাচনী তালিকার বিশেষভাবে নিবিড় সংশোধনের নামে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এএপির পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসও বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক নাম বাদ দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছে।













