• Home
  • প্রচ্ছদ
  • ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আসন শূন্য ঘোষণা
Image

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আসন শূন্য ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন-২৩-এর সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তিনি সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (১ অক্টোবর ২০২৬) তারিখে পদত্যাগ করায় সংবিধানের ৬৭(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ওই তারিখে আসনটি শূন্য হয়েছে।

এর আগে রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় তার নাম আলোচনায় আসে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। ফেরদৌসী আহমেদ ২০২৬ সালের মে মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।

স্পিকার বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি লিখেছেন, ‘আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ফেরদৌসী আহমেদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় জাতীয় সংসদের সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩) পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।’

‘অতএব বিনীত প্রর্থনা এই যে আমার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে পদত্যাগ কার্যকর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।’আজ দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে ১৫ মিনিট অবস্থান করেন মিষ্টি। পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, স্পিকার ডেকেছিলেন, এজন্য দেখা করেছি। সংসদে প্রবেশের সময় তার হাতে একটা ফাইল ছিল। তবে সংসদ থেকে খালি হাতে বের হন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে মিষ্টি বলেন, ‘আমাকে স্পিকার ডেকেছেন, তার সঙ্গে দেখা করেছি। আমি স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি।’

উল্লেখ্য, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিনগত রাতে মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ভারি যন্ত্র দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »