• Home
  • দেশ
  • সান্তাহার ট্রেন লাইনচ্যুত ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
Image

সান্তাহার ট্রেন লাইনচ্যুত ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনের পেছনে থাকা লাগেজভ্যান লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গতকাল মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গঠিত এ তদন্ত কমিটির আহŸায়ক করা হয়েছে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনকে। কমিটির সদস্যরা হলেন বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) আসিফ আহমেদ এবং আরও দুজন কর্মকর্তা। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকাগামী কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে প্রবেশের সময় রেলগেট এলাকা থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে ট্রেনটির সর্বশেষে থাকা লাগেজভ্যানটি লাইনচ্যুত হয়।

পরে বগিটি পাশের লাইনে ছিটকে গিয়ে কিছুটা হেলে পড়ে। এ ঘটনায় ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে ওই রুটে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও রাজশাহীর ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। দুর্ঘটনার পর সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের কারিগরি (ক্যারেজ) বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাইনচ্যুত লাগেজভ্যানটি উদ্ধার করে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দিন বলেন, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রায় সাত ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছিল। সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সান্তাহার স্টেশনে প্রবেশের সময় বিকট শব্দে ট্রেনটির পেছনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। পরে বগিটি ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন করে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয়।

দুর্ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে সিগন্যাল মাস্টারের অবহেলার বিষয়টি আলোচনায় এলেও সিগন্যাল মাস্টার আবু হানিফ এ অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন। সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন বলেন, লাইনচ্যুতির কারণ, দায়-দায়িত্ব এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে তদন্ত কমিটি কাজ করবে। তিনি বলেন, “কী কারণে বগিটি লাইনচ্যুত হয়েছে, তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন জমা দিলে লাইনচ্যুত হওয়ার কারণ জানা যাবে। তদন্ত কমিটি ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ENGLISH »