‘তৃতীয় বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব’ শুরু

0
38

শিল্প-সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো চলচ্চিত্র। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রসারের যুগে চলচ্চিত্র অত্যন্ত সময়োপযোগী মাধ্যম। জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার যথার্থ প্রতিফলন ঘটে বলে এটি সবচেয়ে জীবনঘনিষ্ঠ মাধ্যম হিসেবে সর্বজনবিদিত।

শুক্রবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ‘তৃতীয় বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০২১’ এর ভার্যু্ঘয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ।

তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই চলচ্চিত্র নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ উৎসব সৃজনশীল সংস্কৃতিকর্মী ও রুচিবান দর্শকদের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আমি মনে করি।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীন, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র গবেষক ও লেখক অনুপম হায়াৎ এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী। স্বাগত বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক আফসানা করিম (আফসানা মিমি)।

এবারের উৎসবে প্রায় চার শতাধিক চলচ্চিত্র জমা হয়, সেখান থেকে উৎসবের জন্য নির্বাচকরা ৮১টি স্বল্পদৈর্ঘ্য এবং ৩৮টি প্রামাণ্যচিত্রসহ মোট ১১৯টি চলচ্চিত্র মনোনীত করেছেন। উৎসবে স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উভয়ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বিশেষ জুরি মোট ৩টি বিভাগে পুরস্কারের প্রচলন থাকলেও এবছর আরো চারটি বিভাগে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রহণ, শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা, শ্রেষ্ঠ শব্দ পরিকল্পনা এবং শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা পরিকল্পনা যুক্ত করা হয়। একইভাবে পুরস্কারের অর্থমূল্যও বাড়ানো হয়েছে।

আর করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার এই আয়োজন ১৮ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী অনলাইনভিত্তিক প্রচার করা হবে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY